অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়ার সময় বেশিরভাগ মানুষ প্রথমে দেখেন গেমের সংখ্যা কত। কিন্তু শুধু সংখ্যা দিয়ে মান বোঝা যায় না। j777jj-এ গেমের সংখ্যা যেমন বিশাল, মানটাও তেমনই উঁচু। এই দুটো মিলিয়েই এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে আস্থার গেমিং গন্তব্য হয়ে উঠেছে।
স্লট গেম নিয়ে বলতে গেলে অনেক কথা বলা যায়। j777jj-এ স্লটের সংখ্যা ৫৫০-এর বেশি। থিম বিভিন্ন — ক্লাসিক ফ্রুট, ইজিপশিয়ান থিম, স্পেস অ্যাডভেঞ্চার, ফলকলোর থিম — এই বৈচিত্র্যই স্লট গেমের আকর্ষণ। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো প্রোগ্রেসিভ জ্যাকপট। কিছু স্লটে জ্যাকপটের পরিমাণ কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যায়।
লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে j777jj-এ ১২০টিরও বেশি টেবিল রয়েছে। রিয়েল মানুষ ডিলার, রিয়েল টাইম স্ট্রিমিং — এটা দেখলে মনে হয় সত্যিকারের ক্যাসিনোতে বসে খেলছেন। বাকারাত, রুলেট, ব্ল্যাকজ্যাক, আনদার বাহার, টিন পট্টি — প্রতিটি গেমের জন্য একাধিক টেবিল আছে। হাই বেটের জন্য আলাদা VIP টেবিলও পাওয়া যায়।
ক্র্যাশ গেমের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে দিন দিন বাড়ছে। স্পেসম্যান আর মূল ক্র্যাশ গেম — এই দুটো j777jj-এ সবচেয়ে বেশি খেলা হয়। মাল্টিপ্লায়ার কতটা বাড়বে সেটা অনিশ্চিত, তাই রোমাঞ্চটা আলাদা। সঠিক সময়ে ক্যাশ আউট করার সেই মুহূর্তের টেনশন — এটাই ক্র্যাশ গেমের আসল মজা।
ফিশিং গেম একটু অন্যরকম ধরনের। শুটিং মেকানিক্স ব্যবহার করে স্ক্রিনে দেখা মাছ শিকার করতে হয়। বড় মাছ ধরলে বেশি পুরস্কার। এটা অনেকটা আর্কেড গেমের মতো মজাদার, কিন্তু বেটিং উপাদানটাও আছে। বাংলাদেশে এই ধরনের গেম তুলনামূলক নতুন, কিন্তু j777jj-এ এটা ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে গেছে।
পোকার ও ভিডিও পোকার প্রেমীদের জন্যও j777jj-এ প্রচুর বিকল্প আছে। টেক্সাস হোল্ডেম থেকে শুরু করে ওমাহা পোকার পর্যন্ত। টুর্নামেন্ট ফরম্যাটেও খেলা যায়, যেখানে ছোট এন্ট্রি ফি দিয়ে বড় পুরস্কারের জন্য প্রতিযোগিতা করা সম্ভব।
নতুন গেম প্রতি সপ্তাহে যোগ হচ্ছে। j777jj-এর কিউরেশন টিম বিশ্বের বিভিন্ন প্রোভাইডারের নতুন গেম পরীক্ষা করে এবং মানসম্পন্ন গেমগুলো প্ল্যাটফর্মে যোগ করে। এই কারণেই প্রতিবার লগইন করলে কিছু না কিছু নতুন দেখা যায়।